Showing posts with label ApK. Show all posts
Showing posts with label ApK. Show all posts

.CO.VU ফ্রী ডোমেইন(Free Domain)...

.CO.VU ফ্রী ডোমেইন(Free
Domain)...


আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা, আজ আবারও একটি নতুন
পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। এই পোস্ট তা আমার
নিজের লেখা না ওয়েব থেকে কপি করা নতুন বা
পুরনো ব্লগারদের জন্য একটি ডোমেইন খুবই
গুরুত্বপূর্ণ তাই পোস্ট টা কপি করলাম। BLOGGER
EXPERT এর কোনো RIGHT RESERVED করে
না।
তাহলে আসুন যেনে নেই কীভাব এই
ডোমেইন .co.vu লাগাবেন। এটা খুব সহজ কাজ।
১)প্রথমে এখানে ক্লিক করুন। তারপর নীচের
মত একটি রেজিস্টার পেইজ আসবে।
২)উপরের স্ক্রিনশটের উপরে ডান পাশে
ইন্ডিকেট করা Sign in  এ ক্লিক করুন।
৩)সাইন-ইন এ ক্লিক করার পরে তার নীচে
আপনি Crete a new Account  দেখতে পাবেন।
সেখানে ক্লিক করুন।ক্লিক করার পরে আপনার
ইমেইল,পাসওয়ার্ড ও নাম দিয়ে রেজিস্টার করুন
অথবা ফেসবুকের মাধ্যমেও কানেক্ট করে
চালাতে পারবেন।
৪)রেজিস্টার করার পরে আপনি সেখানে
আপনার  ডোমেইন টি লিখুন।যদি ডমেইন টি আগে
ব্যাবহার না হয়ে থাকে তাহলে আপনি সেই
ডোমেইন রেজিস্টার করতে পারবেন।
ডোমেইন আগে ব্যাবহার না হলে নীচের মত
আসবে।
৫)এবার Register Domain  এ ক্লিক করুন।
৬)তারপরে আপনাকে আসল কাজ শুরু করতে
হবে। মানে হল ব্লগে সেটাপ করতে হবে।
তাহলে আসুন শুরু করি আসল কাজ।
৭) Register Domain  এ ক্লিক করার পরে
নীচের মত আসবে।
৮)এবার বাম পাশে Blogger এ ক্লিক করুন।
তারপরে Configure To Blogger  এ ক্লিক করুন।
৯)এবার ব্লগারে যান।
১০)ব্লগারে গিয়ে Settings এ যান।তারপরে Setup
a 3 Party URL এ ক্লিক করুন।
১১)এবার www সহ আপনার ডোমেইন টা লিখুন
যেটা আপনি রেজিস্টার করেছেন।
১২)এবার সেভ ক্লিক করুন।সেভ ক্লিক করলে
নীচের মত আসবে।
১৩)উপরে ইন্ডিকেট করা কোড গুলো কপি
করে রাখুন।
১৪)এবার আবার .co.vu এর ওয়েবসাইট টি তে যান।
১৫) co.vu এর ওয়েবসাইট টি তে ৭ নাম্বার
অপশনে যান। নীচের মত।
১৬)এবার যে কোড গুলো কপি করে
রেখেছিলেন সে কোড গুলো নীচে বসান।
কোড গুলোর ডান পাশের নীচের টা Name এ
বসান আর কোড গুলোর ডান পাশের নীচের
টা Point Toতে বসান এবং Crete verification
CNAME এ ক্লিক করুন। ব্যাস কাজ হয়ে গেল।
এবার আপনার ব্লগে আবার যান ও ডমেইন
টাকে Save করুন। তারপরে আবার অই
ডোমেইনটার Edit বাটনে ক্লিক করুন তার
পরে Redirect serverbd.co.vu
to www.serverbd.co.vu .  এই লেখটার পাশে টিক
দিন এবং Save করুন।
১৭)এবার co.vu এর ওয়েবসাইট টি তে গিয়ে সবার
নীচে Test Domain এ ক্লিক করুন। যদি
ডোমেইন ঠিক ভাবে লাগানো হয়ে থাকে
তাহলে নীচের মত একটা পেইজ দেখাবে।

তথ্যসুত্রঃ ওয়েব (বিভিন্ন ব্লগ সাইট) এবং নিজের
অভিজ্ঞতা। ...
আজ এই পর্যন্তই। খুব শীগ্রই নতুন আর একটি
পোস্ট নিয়ে হাজির হবো। ভাল থাকবেন সুস্থ
থাকবেন। আসসালামু আলাইকুম। ধন্যবাদ...

‘ক্ষিদে পেলেই আমি বিদ্যুৎ খাই, বিদ্যুৎ খেলেই শাক্তি বাড়ে আমার

‘ক্ষিদে পেলেই আমি বিদ্যুৎ খাই, বিদ্যুৎ খেলেই শাক্তি বাড়ে আমার

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : আমাদের যখন ক্ষিদে পায় তখন আমরা ভাত-মাছ, ফলমূল খাই। অথচ ভারতের উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা নরেশ কুমার খেয়ে থাকেন বিদ্যুৎ! আর সেখান থেকেই শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি সঞ্চয় করেন নরেশ। খবর ইন্ডিয়াটাইমসের।

আজব মানুষ! তার কাজও আজব। বিদ্যুৎ নিয়ে হরেক রকমের কেরামতি দেখাতে পারেন ৪২ বছরের নরেশ। এজন্য তাকে বলা হয় ‘দ্য হিউম্যান লাইট বাল্ব’ বা মানব বাতি।

নরেশ জানান, তার দেহ মূলত বিদ্যুৎ নিরপেক্ষ। উচ্চ ভোল্টেজ প্রবাহিত হলেও কোনো ক্ষতি হয় না দেহের। আর এ বিষয়টির প্রমাণও দেখিয়ে দেন নরেশ। ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক তার মুখে নিয়ে

অনায়াসে বসে থাকতে পারেন তিনি।

তবে তার বিদ্যুৎ থেকে এনার্জি পাওয়ার বিষয়টিই সবচেয়ে আশ্চর্যজনক। তিনি বলেন, ‘আমার যখনই ক্ষুধা লাগে এবং ঘরে কোনো খাবার থাকে না তখন আমি খোলা একটি বৈদ্যুতিক তার মুখে নেই। আধা ঘণ্টার মধ্যেই আমার ক্ষুধা মিটে যায়। অন্যান্য খাবারের মতোই বিদ্যুৎ খাই আমি। শক্তি বাড়ে আমার।’

বর্তমানে পাঁচ সন্তানের বাবা নরেশ। একটি হাসপাতালে মৃতদেহ গোসল করানোর কাজ করেন তিনি। ছয় বছর আগে আবিষ্কার করেন, তার দেহের বিদ্যুতের এই অসম্ভব ক্ষমতা। সে সময় দুর্ঘটনাক্রমে তিনি বিদ্যুতের একটি তার স্পর্শ করে বসেন। পরে দেখলেন, তাতে তার কোনো সমস্যাই হচ্ছে না।

তিনি খালি হাতে যে কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র ধরতে পারেন। তার দাবি, এতে তার কোনো ক্ষতি হয় না। বরং এতে তার শক্তি বেড়ে যায়। তিনি বলেন, আমি তখন আশ্চর্য হয়ে যাই। এর আগ পর্যন্ত আমি আমার এই দক্ষতা সম্পর্কে জানতাম না। এটা ভগবানের উপহার। আমি খুশি যে তিনি আমাকে এই গুণ দিয়েছেন।

বিদ্যুৎ দেহের ভেতর দিয়ে গেলেও তার কোনো সমস্যা হয় না। বহু মানুষের সামনেই বহুবার এ কাজটি করে দেখিয়েছেন তিনি। এমনকি তার দেহে যখন বিদ্যুৎ চলাচল করে, তখন টেস্টার ধরলে সেটিতেও আলো জ্বলতে থাকে। এতে নরেশের কোনো যন্ত্রণা হয় না বলেই দাবি তার।
Papry99.com

সুন্দর গল্প আসুন একটি গল্প শিখি যার নাম Preposition


সুন্দর গল্প
আসুন একটি গল্প শিখি যার নাম Preposition


আজ সকালে একটা মুরগির ডিম কিনে
বাসায় যাচ্ছিলাম। কিসের ডিম মুরগির। এর
বোঝালে of. দোকান থেকে from বাসার
দিকে to. কিন্তু গতি শেষ বোঝাতে onto.
হঠাৎ মহুয়া আপু আর ববী আপুর সাথে দেখা।
সাথে বোঝালে with. আমি তাদের ডিম
সিদ্ধ করে খাওয়াব। দুই ভাগ করলাম। একটা
বড় আরেকটা ছোট। বড় জায়গার আগে in
ছোট জায়গার আগে at. দুইজনের মধ্যে অমিল
সৃষ্টি হলো। বিরোধ বোঝালে against.
দুইজনের মধ্যে বোঝালে between. হঠাৎ
আহাদ ভাই আরিফ ভাই সালমান ভাই এপি
আপু কনক ভাই হিরা ও মাহমুদা আসল। বলল
আমরাও চাই। হিরা ও মাহমুদা এসে সবার
মাঝে ভাগ করে দিলেন। সবার মাঝে
বোঝাতে among. রাজীব ভাই বলল আকাশ
ভাই ডিম কার জন্য এনেছিলেন। জন্য for.  Papry99.com
ডিমের উপর লবণ দেওয়া। উপর বোঝালে on.
একটা একটু উপরে মাছি ছিল। স্পর্শ ছাড়া
উপরে above. একটা তেলাপোকা উপর দিয়ে
উড়ে গেল। উপর দিয়ে যাওয়া over. নিচে
ছিল একটা প্লেট ছিল। নিচে under, beneath.
পাশে ছিল চামচ। পাশে beside. খাওয়ার
আগে ঝগড়া পরে মাসতী। আগে before পরে
After. তারপর আমরা সবাই নৌকা দিয়ে
নদী পার হয়ে রাস্তার ধার দিয়ে
হাটছিলাম। নদী পার হওয়ার ক্ষেত্রে
across, রাস্তার পাশে along. আমরা বনের
মধ্যে যাচ্ছিলাম। কোনো কিছুর মধ্যে
যাওয়া। through. হঠাৎ অনু আপু অরিন আপুকে
বলল, সর্বশেষ কবে ডিম খেয়েছেন? মিরাব
বলে উঠল, আমি সর্বশেষ ডিম খেয়েছিলাম
2015 সালের এপ্রিল মাসের 15 তারিখের
দুপুর ২ টায়. বছরের আগে in, মাসের আগে in,
দিনের বা তারিখের আগে on, বারের আগে
on, সময়ের আগে at. রাজীব ভাই বললেন,
ডিম সম্পর্কে আর কিছু বলা যাবে না।
সম্পর্কে বোঝালে about. আমরা আমরা
সন্ধ্যায় সবাই যার যার বাসায় চলে
গেলাম। সন্ধ্যার আগে in.

চাকরির সাক্ষাৎকারে করা যাবে না যে ১০ ভুল অনলাইন ডেস্ক | ১১ আগস্ট ২০১৭, ১৪:২২

চাকরির সাক্ষাৎকারে করা যাবে না যে
১০ ভুল

অনলাইন ডেস্ক | ১১ আগস্ট ২০১৭, ১৪:২২


চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে যাবেন। বড় উপলক্ষ—হ্যাঁ,
উপলক্ষই তো! একটি সাক্ষাৎকারেই তো ঘুরে
যেতে পারে আপনার জীবনের মোড়। সমৃদ্ধির
পথে শুরু হতে পারে আপনার পথচলা। এত বড় যে
উপলক্ষ, সেখানে তো অবশ্যই ভালো প্রস্তুতি
নিয়ে যাওয়া উচিত। নিজেকে একটু অন্যভাবে
উপস্থাপন করা, একটু উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয় দেওয়া,
কথাবার্তায় সতর্ক থাকা—এগুলো তো
অবশ্যকরণীয়। অনেক আরাধ্য যে সাক্ষাৎকার,
সেখানে যেকোনো অসতর্কতা কিন্তু সর্বনাশ
ডেকে আনতে পারে চাকরিপ্রার্থীর জন্য। কিছু
জিনিস আছে, যা চাকরির সাক্ষাৎকারে কখনোই করা
উচিত নয়। কী সেগুলো, একবার চোখ বুলিয়ে
প্রস্তুত হন সামনের কোনো সাক্ষাৎকারের
জন্য...
অনাগ্রহ
আপনার আবেদন দেখেই কিন্তু প্রতিষ্ঠান
আপনাকে সাক্ষাৎকার দিতে ডেকেছে। আপনাকে
নেওয়াই তাদের উদ্দেশ্য। কিন্তু সেখানে
সাক্ষাৎকার যাঁরা নিচ্ছেন, তাঁদের সামনে যদি আপনার
অনাগ্রহ প্রকাশিত হয়ে পড়ে, তাহলেই কিন্তু
সর্বনাশ! এটা ঠিক, চাকরিপ্রার্থীরও চাকরি নিয়ে
পছন্দ-অপছন্দ থাকতে পারে। এমন হতে পারে,
আপনি হয়তো পছন্দের চাকরির সাক্ষাৎকারের
আগেই একটু কম পছন্দের চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে
এসেছেন, কিন্তু তারপরও অনাগ্রহ দেখাবেন না।
অপরিপাটি বেশভূষা
আগেই বলা হয়েছে, চাকরির সাক্ষাৎকার মানুষের
জীবনের বড় উপলক্ষ। সে কারণে এতে
নিজের সবচেয়ে সেরা পোশাকটাই পরে যাওয়া
উচিত। কথায় আছে, আগে দর্শনদারি তারপর
গুণবিচারী। সাক্ষাৎকার কক্ষে আপনাকে দেখে
যদি পছন্দই না হয়, তাহলে কর্তৃপক্ষ কেন আপনার
ভেতরের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের খোঁজ নিতে
চাইবে? চাকরির সাক্ষাৎকারে বেশভূষা তাই ভীষণ
গুরুত্বপূর্ণ।
দেরি করে যাওয়া
চাকরির সাক্ষাৎকারে দেরিতে আসা ভয়াবহ ভুল।
এখানে কোনো অজুহাতের সুযোগ নেই, কারণ
কর্মীর সময়ানুবর্তিতা প্রতিষ্ঠানের জন্য খুবই
গুরুত্বপূর্ণ। দেরি করে সাক্ষাৎকার দিতে যাওয়াটাই
একটা বড় ত্রুটি, সেখানে অজুহাত দেখানো আরও
বড় ভুল। দেরি করে গেলে আপনার চাকরি পাওয়ার
সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যেতে বাধ্য।
প্রস্তুতি ছাড়াই সাক্ষাৎকারে যাওয়া
আপনাকে দু-একটি প্রশ্ন করেই প্রশ্নকর্তারা বুঝে
যাবেন আপনার প্রস্তুতি কেমন। তখন তাঁরা আপনার
প্রতি আগ্রহই হারিয়ে ফেলবেন। সে কারণে
প্রস্তুতিটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই বলতে
পারেন, প্রশ্ন তো যেকোনো বিষয় নিয়েই
হতে পারে—প্রস্তুতিটা কী নেব! অন্তত নিজের
বিষয়টি সম্পর্কে বা যে পদে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন,
সেটি সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করে যাওয়াই যায়।
অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা
‘আপনি আমাদের সম্পর্কে কতটুকু জানেন’ অথবা
‘আপনি এখানে কেন চাকরি করতে চান’—সাক্ষাৎকার
পর্বে এই দুটি প্রশ্নের মুখোমুখি চাকরিপ্রার্থী
হতেই পারেন। এসব প্রশ্নের জবাবে কখনোই
অপ্রাসঙ্গিক কোনো কথা কিংবা অহেতুক প্রশংসা
করবেন না। এ ধরনের কোনো কিছু বললে
সেটা উল্টো আপনার যোগ্যতা কমিয়ে দেবে।
যথাসম্ভব বুদ্ধিমত্তা এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে
প্রাসঙ্গিক কথা বলার চেষ্টা করুন।
ফোনের রিং বেজে ওঠা
সাক্ষাৎকার দেওয়ার আগে নিজের মোবাইল
ফোনটি বন্ধ রাখাই উচিত। সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময়
পকেটে ফোন বেজে ওঠাটা অশোভন ব্যাপার।
এতে আপনার চরিত্রের নিস্পৃহভাবই ফুটে ওঠে।
বোঝা যায়, কাজের প্রতি আপনার আগ্রহ কম।
সাক্ষাৎকার যাঁরা নিচ্ছেন, তাঁরা অনুমান করে নেন, চাকরি
দিলেও আপনি ঠিক একই কাজ করবেন।
আগের চাকরির বদনাম
নতুন চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে এসে আগের
প্রতিষ্ঠান নিয়ে বাজে কথা বলা খুব অন্যায়। এটা
একধরনের চারিত্রিক দোষ। আগের চাকরিটা নিয়ে
আপনার মনে যদি কোনো ক্ষোভ থেকেও
থাকে, নতুন চাকরির সাক্ষাৎকারের সময় তা চেপে
রাখাই ভালো। সাক্ষাৎকার যাঁরা নেন, তাঁরা এই একটি
ব্যাপার থেকেই আপনার সম্বন্ধে ধারণা পেয়ে
যাবেন। সে ক্ষেত্রে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা কমে
যাবে অনেকটাই।
বেতন জিজ্ঞাসা করা
সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েই বেতনের প্রসঙ্গ তুলে
বসবেন না যেন। এটি বেশ অশোভন।
সাক্ষাৎকার
গ্রহণকারীরা যদি বেতনের প্রসঙ্গ তোলেন,
তাহলে আগ বাড়িয়ে নিজের চাহিদার কথা বলতে
যাবেন না। প্রতিষ্ঠানের বেতনকাঠামো সম্বন্ধে
একটু পড়াশোনা করেই সাক্ষাৎকার দিতে যাওয়া
ভালো। তবে নিজের চাহিদা সাক্ষাৎকারের সময় না
জানানোই ভালো। ছেড়ে আসা প্রতিষ্ঠানের
বেতন নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়াও খুব বড় অপরাধ। সব
সময় মনে রাখবেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কাছেই
অন্য প্রতিষ্ঠানের বেতনকাঠামোর
প্রয়োজনীয় তথ্যাদি থাকে।
প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে না জানা
যে প্রতিষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দিতে এসেছেন, সে
প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান খুবই গুরুত্বপূর্ণ
সাক্ষাৎকার দিতে এসে যদি সেই প্রতিষ্ঠানের মৌলিক
বিষয়গুলোই বলতে না পারেন, তাহলে সেটা
বিপর্যয়কর। চাকরিদাতা আপনাকে চাকরি দেওয়ার
উৎসাহই হারিয়ে ফেলবেন। তাই সাক্ষাৎকার দিতে
যাওয়ার আগে সেই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে একটু ধারণা
নিয়ে যাওয়া উচিত।

নেতিবাচক শরীরী ভাষা

‘চাকরি হলে আপনাকে প্রতিদিন অফিসের সময়ের
বাইরেও থাকতে হতে পারে’—এমন কথা যদি আপনার
পছন্দ নাও হয়, তারপরও শরীরী ভাষায় নেতিবাচকতা
ফুটিয়ে তুলবেন না। হাসিমুখে বলবেন, ‘সেটা আমি
জানি’ বা ‘আমার কোনো অসুবিধা নেই’। ছুটির পরেও
অফিসে থাকতে হতে পারে বলা মানে এই না যে
আপনাকে প্রতিদিন থাকতে হবে। কিন্তু সাক্ষাৎকার
দেওয়ার সময়ই যদি আপনি মুখ কালো করে
ফেলেন, তাহলে সেটি আপনার চাকরি পাওয়ার
ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব রাখতে বাধ্য।

"লড়াকু অভিনেতা রুবেল অভিনীত. চলচ্চিত্রের তালিকা

"লড়াকু অভিনেতা রুবেল অভিনীত.         চলচ্চিত্রের তালিকা

"
লড়াকু
উদ্ধার
বীর পুরুষ
বজ্রমুষ্ঠি
অকর্মা
বিপ্লব
বিষদাত
উত্থান পতন
সন্ত্রাস
ঘাতক
অপহঅরণ
শত্রু ভয়ংকর
টপ রংবাজ
দিন মজুর
বিশ্ব প্রেমিক
নর পিশাচ
রাক্ষস
সতর্ক শয়তান
দুঃসাহস
গৃহ যুদ্ধ
লম্পট
চারিদিকে শত্রু
ভণ্ড
পাগলা ঘণ্টা
মুখোশ ধারী
যোদ্ধা
চাই ক্ষমতা
মায়ের জন্য যুদ্ধ
বিচ্ছু বাহিনী
প্রবেশ নিষেধ
অন্ধকারে চিতা
খুনের পরিণাম
বাঘে বাঘে লড়াই
টর্নেডো কামান
বিষাক্ত চোখ
সিটি রংবাজ
রক্ত পিপাসা
চারিদিকে অন্ধকার
মহাগুরু
ডন
মৃত্যুদণ্ড
আজকের হিটলার
সন্ত্রাসী নায়ক
মূর্খ মানব
মানুষ
সেয়ানা পাগল
সাইক্লোন
দুর্ধর্ষ দুর্জয়
শ্রদ্ধা
উল্কা
রাগী
পরাধীন
আর্তনাদ
আখেরি রাস্তা
বিদ্রোহী কন্যা
স্বজন
মাকড়সা
চোখের পানি
ঘরের শত্রু
শত্রু সাবধান
বাঘের থাবা
খাইছি তোরে
রিটার্ন টিকেট
হুংকার
বীর বিক্রম
বীর যোদ্ধা
বজ্রপাত
রুবেল আমার নাম
দেশ দুশমন
গোলামির জিঞ্জির
গোয়েন্দা
জ্বলন্ত আগুন
সুখের আগুন
মিন্টু সম্রাট
মিথ্যার রাজা
বিপদ সংকেত
বিল্লু মাস্তান
বেইমানীর শাস্তি
আমি শাহেনশাহ
শেষ আঘাত
মীর জাফর
অগ্নি সন্তান
জবাব দে
ক্ষমা নেই
মায়ের কান্না
ইনকিলাব
শত্রু ঘায়েল
বন্ধু বেঈমান
দেশ দেশান্তর
ধর মাস্তান
আগুন আমার নাম
অধিনায়ক
গোলাবারুদ
ট্রাক ড্রাইভার
আজাদ
আন
দুর্নীতি বাজ
হারামখোর
খালাস
গড ফাদার
জমিদার
ধান্দা
পলাতক আসামী
মাস্তানের দাপট
গরীবের সম্মান
জিন্দা দাফন
বাবা কেন আসামী
ফেরারি আসামী
মানিক বাদশা
গোলমাল
রাজপথের বাদশা
রক্ত নিশান
ভাংচুর
রাজার ভাই বাদশা
কাঙ্গালি রাজা
বাদশা গুন্ডা
ডাল ভাত
কয়লা
ময়দান
খেসারৎ
হিরো নাম্বার ওয়ান
রক্ত গরম
ডেঞ্জার হিরো
ঢাকার সম্রাট
জন নেতা
কালো চশমা
বস্তির শাহেনশাহ
চরম শিক্ষা
দুর্নীতি দমন
তল্লাশি
মরণ আঘাত
আজকের গরম খবর
তছনছ
সদর ঘাটের কুলি
দাঙ্গা দমন
গেরিলা বাহিনী
ডেঞ্জার মিশন
পাগলা মাস্তান
অর্জন
মা মাটি দেশ
মহা শত্রু
অন্যায় অত্যাচার
অসভ্য মানুষ
প্রেমিক ডাকাত
অবৈধ শত্রু
ঘুম হারাম
অন্ধ আইন
এলাকার বাদশা
ওমর আকবর
সম্পর্ক
ওরা সোলজার
ব্যারিকেট
কাউন্টার অ্যাটাক
দুশমনের দুশমন
কাঁটা লাশ
রাঙা মাস্তান
রবি মাস্তান
কঠিন শাস্তি
প্রেমিক রংবাজ
কুংফু নায়ক
চ্যালেঞ্জের মুখে
ফুটপাতের শাহেনশাহ
জীবন মানেই যুদ্ধ
হিংস্র থাবা
ভয়ংকর সন্ত্রাসী
ভয়ংকর রাজা
লৌহ মানব
ক্ষমতার লড়াই
সুখের আশায়
শিকারি
শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার
লাওয়ারিশ
লড়াই
ভাইয়া নাম্বার ওয়ান
প্রেমিকা ছিনতাই
চুরমার
ছোট বোন
টাইম নাই
গরীবের বিচার নাই
ঘৃণা
উত্তর দক্ষিণ
একশ কোটি টাকা
মহা তাণ্ডব
মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা
মালামাল
মাস্তান সম্রাট
মুক্তি চাই
মুখোশ
বিক্রম
বাংলার বাঘ
বেয়াদব
বড়ভাই জিন্দাবাদ
নেশা
নীল সাগরের তিরে
দমকা
দোজখ
দুই চোর
জজ সাহেব
দুর্দান্ত দাপট
জজের রায়ে ফাঁসি
জিদ্দি সন্তান
কাঁটা রাইফেল
কালা দুনিয়া
আত্ম প্রকাশ
আদরের ছোট ভাই
অশান্ত বাদশা
অন্যায়ের প্রতিশোধ
লিঞ্জা
যোদ্ধা
এক নাম্বার আসামী
ওয়ার্নিং.........